৩১ মার্চ ২০২৬ রিটার্ন জমার সময় শেষ হয়েছে। এরপরও রিটার্ন দেওয়া যাবে — তবে জরিমানা ও সুদ দিতে হবে এবং বিনিয়োগ-রেয়াতসহ একাধিক কর-সুবিধা হারাবেন।
জরিমানা ও সুদ
নির্ধারিত সময়ের পর রিটার্ন দিলে আরোপিত করের ওপর মাসিক ২% হারে সুদ দিতে হবে। সর্বোচ্চ ২৪ মাসের জন্য এই সুদ প্রযোজ্য হবে — অর্থাৎ সর্বোচ্চ ৪৮% পর্যন্ত সুদ আরোপিত হতে পারে।
তবে ভালো খবর হলো অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে বছরের ৩৬৫ দিনই — কোনো অফিসে যেতে হবে না, কারও অনুমতি লাগবে না।
| বিলম্বের মাস | সুদের হার | উদাহরণ (কর ১০,০০০ টাকা) |
|---|---|---|
| ১ মাস | ২% | ২০০ টাকা সুদ |
| ৬ মাস | ১২% | ১,২০০ টাকা সুদ |
| ১২ মাস | ২৪% | ২,৪০০ টাকা সুদ |
| ২৪ মাস (সর্বোচ্চ) | ৪৮% | ৪,৮০০ টাকা সুদ |
হারানো সুবিধা
সময়মতো রিটার্ন না দিলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত হারানো। সরকার নির্ধারিত ৯টি খাতে বিনিয়োগ করলে যে করছাড় পাওয়া যায়, সেটা আর পাবেন না।
ব্যতিক্রম
যেসব করদাতা ৩১ মার্চের আগেই আবেদন করে সময় বাড়িয়েছেন, তাঁদের ওপর কোনো জরিমানা আরোপ হবে না এবং করছাড়-সুবিধাও পাবেন।
বর্তমান পরিস্থিতি
বর্তমানে প্রায় সোয়া এক কোটি টিআইএনধারী রয়েছেন। কিন্তু গতবার মাত্র সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা রিটার্ন দিয়েছেন। বাকি বিশাল অংশ রিটার্ন দেননি।
এনবিআর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন টিআইএনধারীদের দুই-তৃতীয়াংশই রিটার্ন দেন না। অনেকেই শুধু সরকারি-বেসরকারি সেবা পেতে টিআইএন নিয়েছেন, কিন্তু রিটার্ন আর দেননি।
জরিমানা কমানো, সময় বাড়ানো এবং সঠিকভাবে রিটার্ন ফাইলের জন্য এনবিআর-সার্টিফাইড ট্যাক্স লইয়ার হিসেবে আমি সহায়তা করতে পারি।